সেই রেফারির বিরুদ্ধে মিশরের আনা অভিযোগের ভবিষ্যৎ কী? যা জানা গেল

 


চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে মাঠের সেই নাটকীয় লড়াই এবার রূপ নিয়েছে মাঠের বাইরের এক বড় কূটনৈতিক দ্বন্দ্বে। রেফারির বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে সরাসরি ফিফা কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে মিশরীয় ফুটবল ফেডারেশন।


মিশরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হানি আবু রিদা ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যতেক্সিয়ে এবং তার পুরো অফিশিয়ারিং দলের বিরুদ্ধে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছেন। এই অভিযোগে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ফরাসি রেফারি প্যানেলকে বহিষ্কার করার দাবি জানানো হয়েছে। 


মিশরের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া আনুষ্ঠানিক নথিতে মূলত তিনটি সিদ্ধান্তকে ‘গুরুতর ভুল ও পক্ষপাতদুষ্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে:


বাতিল হওয়া সেই গোল: ম্যাচের শুরুতে ইয়াসের ইব্রাহিমের গোলে মিশর ১ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। এরপর মোস্তফা জিকো বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করার উল্লাসে মাতেন। কিন্তু রেফারি ল্যতেক্সিয়ে ভিএআর রিভিউয়ের পর গোলটি বাতিল করেন। 


অভিযোগ ওঠে, গোল হওয়ার প্রায় ২০ সেকেন্ড আগে একটি ফাউল হয়েছিল। পরবর্তীতে ৬৬ মিনিটে জিকো আরেকটি বৈধ গোল করে দলকে ২ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে নিলেও, প্রথমার্ধে বাতিল হওয়া সেই গোলের খেসারত দিতে হয়েছে মিশরকে। 


সালাহর পেনাল্টি আবেদন নাকচ: ম্যাচের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে মিশরের তারকা ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহ ডি-বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হন। রেফারি সরাসরি খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং ভিএআর টিমও রেফারিকে মাঠের মনিটরে অনফিল্ড রিভিউ দেখার কোনো তাগিদ দেয়নি।


আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের বিল্ড-আপ: ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯৩ মিনিটে) এনজো ফার্নান্দেজ আর্জেন্টিনার হয়ে জয়সূচক (৩-২) গোলটি করেন। মিশরের দাবি, গোলটি হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে আর্জেন্টিনার আলেক্সিস মাক অ্যালিস্টার একটি স্পষ্ট ফাউল করেছিলেন, যা রেফারি এড়িয়ে গেছেন। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ